menu_book
মানসিক স্বাস্থ্য
কর্মব্যস্ত জীবনে মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার উপায়
প্রকাশের তারিখ: ০৯ জুন, ২০২৬ | লেখক: সাইকিয়াট্রি বিভাগ, শিলমুন হেলথ ডেক্স
২০২৬ সালের এই তীব্র গতিশীল ও প্রযুক্তি-নির্ভর জীবনে আমাদের শারীরিক সুস্থতার পাশাপাশি মানসিক স্বাস্থ্য বা মেন্টাল ওয়েলনেস একটি বড় আলোচনার বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে। সারাদিনের কাজের চাপ, ক্যারিয়ারের প্রতিযোগিতা এবং অতিরিক্ত স্ক্রিন টাইম আমাদের অবচেতন মনে প্রতিনিয়ত মানসিক চাপ বা স্ট্রেসের সৃষ্টি করে, যা পরবর্তী সময়ে বড় ধরনের মানসিক ব্যাধির কারণ হতে পারে।
মানসিক চাপ বৃদ্ধির লক্ষণসমূহ:
- সব সময় খিটখিটে মেজাজ থাকা এবং সহজেই রেগে যাওয়া।
- অনিদ্রা বা ঘুমের স্বাভাবিক চক্র ব্যাহত হওয়া।
- মনোযোগের অভাব এবং অল্পতেই ভুলে যাওয়ার প্রবণতা।
- কারো সাথে কথা বলতে বা সামাজিক মেলামেশা করতে অনীহা প্রকাশ করা।
মানসিক স্বাস্থ্য ভালো রাখার ৫টি জাদুকরী টিপস:
- মাইন্ডফুলনেস ও নিঃশ্বাসের ব্যায়াম: প্রতিদিন সকালে বা কাজের ফাঁকে অন্তত ১০ মিনিট চোখ বন্ধ করে গভীরভাবে নিঃশ্বাস নিন। এটি আপনার মস্তিষ্কে কর্টিসল (স্ট্রেস হরমোন)-এর ক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করতে সাহায্য করে।
- ডিজিটাল ডিটক্স (Digital Detox): ঘুমানোর অন্তত এক ঘণ্টা আগে এবং ঘুম থেকে ওঠার পর প্রথম আধা ঘণ্টা মোবাইল, ল্যাপটপ বা যেকোনো ধরনের স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।
- পর্যাপ্ত ঘুম এবং ব্যায়াম: প্রতিদিন অন্তত ৭ ঘণ্টা শান্ত ঘুম ও হালকা শারীরিক কসরত আপনার মস্তিষ্কে এন্ডোরফিন এবং ডোপামিন নামক ফিল-গুড হরমোনের প্রবাহ বাড়ায়।
- নিজের জন্য সময় বের করা: আপনার পছন্দের কোনো শখ, যেমন বই পড়া, গান শোনা বা বাগানের পরিচর্যা করার জন্য সপ্তাহে অন্তত কিছুটা সময় রাখুন।
- কথা বলুন এবং শেয়ার করুন: মানসিক অবসাদকে মনের দুর্বলতা মনে না করে তা কাছের বন্ধুদের বা পরিবারের সাথে শেয়ার করুন। প্রয়োজনে কাউন্সিলিং বা থেরাপির সাহায্য নিন।
শিলমুন স্পেশালাইজড হাসপাতালের সাইকিয়াট্রি ও মেন্টাল ওয়েলনেস বিভাগে দক্ষ কনসালট্যান্ট এবং অভিজ্ঞ থেরাপিস্টদের মাধ্যমে অত্যন্ত গোপনীয়তার সাথে মানসিক কাউন্সিলিং সেবা প্রদান করা হয়। মনে রাখবেন, শারীরিক রোগ যেমন স্বাভাবিক, মানসিক অবসাদও তেমনি একটি রোগ এবং এর সঠিক চিকিৎসা রয়েছে।